সম্প্রতি এক জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি দেশের জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন, নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত না হলে সরকার কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবে। বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি ইরানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। কিন্তু যদি পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তাহলে আমাদের বিকল্প পথ ভাবতে হবে।”
তার এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। বিশ্লেষকদের মতে, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইরান-এর বিরুদ্ধে এ ধরনের মন্তব্য কূটনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত যে কোনো সংকট কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। সরাসরি সামরিক হুমকি দেওয়ার মতো বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
