নকল প্রতিরোধে নতুন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে পরীক্ষার আগে আর কোনো রুটিন প্রকাশ করা হবে না।
এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অসদুপায় অবলম্বনের সুযোগ কমিয়ে আনা।
শিক্ষার্থীরা আগে থেকে কোন দিনে কোন পরীক্ষা হবে তা জানতে পারবে না।
পরীক্ষার হলে প্রবেশ করার পর প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার মাধ্যমেই তারা বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবে।
কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এতে কোচিংনির্ভরতা ও সাজেশনভিত্তিক প্রস্তুতির প্রবণতা কমবে।
শিক্ষার্থীরা বাধ্য হবে পুরো সিলেবাস ভালোভাবে পড়তে ও বুঝতে।
ফলে তাদের বাস্তব জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে কিছু উদ্বেগও রয়েছে।
অনেকে মনে করছেন, হঠাৎ করে এমন পদ্ধতিতে মানিয়ে নেওয়া কঠিন হতে পারে।
বিশেষ করে দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে, শিক্ষকরা বলছেন সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে শিক্ষার্থীরা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে।
পরীক্ষা পরিচালনায়ও আরও কঠোর নজরদারি রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, এই উদ্যোগ সফল হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।
নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
