তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি এখন এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে আর কাউকে জীবিকার তাগিদে বিদেশে পাড়ি জমাতে না হয়।
দীর্ঘদিন ধরে হাজার হাজার প্রবাসী কঠোর পরিশ্রম করে দেশের রেমিট্যান্স খাত সচল রেখেছেন, তাদের অবদান কখনো ভোলার নয়।
এবার সেই প্রবাসীদের দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ মাটিতে সম্মানজনক কাজের সুযোগ তৈরি করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
নেতার দাবি, দেশে নতুন নতুন শিল্পকারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে কষ্ট করে দিন কাটানোর বদলে নিজের পরিবার-পরিজনের পাশে থেকেই আয় করার সুযোগ পাবে মানুষ।
এই ঘোষণার পর অনেকেই বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখলেও, কেউ কেউ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
কারণ দেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি করা এখনো বড় একটি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে সাধারণ মানুষের আশা, এমন উদ্যোগ বাস্তবে রূপ নিলে প্রবাসজীবনের কষ্ট অনেকটাই কমে আসবে।
বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে থাকা শ্রমিকরা দেশে ফিরে নিরাপদ ও স্থায়ী আয়ের সুযোগ পেলে তা হবে বড় স্বস্তির খবর।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া।
অনেকে বলছেন, প্রতিশ্রুতি নয়—প্রয়োজন বাস্তব পদক্ষেপ এবং কার্যকর পরিকল্পনা।
এখন দেখার বিষয়, এই ঘোষণা কেবল বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি সত্যিই প্রবাসীদের জন্য দেশে নতুন কর্মসংস্থানের দ্বার খুলে দেয়।
