নিজস্ব প্রতিবেদক |
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া কাঁপিয়ে এক ভার্চুয়াল ‘মহাজোট’ গড়েছেন তিন দিকপাল—চটি পিয়াল (ওরফে অনলাইন ইতিহাসের কারিগর), হারপিক মজুমদার (যিনি সব ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করায় ওস্তাদ) এবং মোটিভেশনাল গুরু সুলাইমান শুকুন। তাদের দাবি, আওয়ামী লীগ এমন ‘ভয়ংকর’ রূপে ফিরছে যে, সাধারণ মানুষ তো বটেই, এমনকি মশার কয়েলও ভয়ে জ্বলা বন্ধ করে দিতে পারে।
১. চটি পিয়ালের ঐতিহাসিক ‘ফ্ল্যাশবোর্ড’
ভার্চুয়াল স্ক্রিনে হাজির হয়ে পিয়াল ভাই তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে জানালেন, তিনি এমন এক ডিজিটাল পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছেন যা পড়লে প্রতিপক্ষের হার্টবিট ২২০ পার হয়ে যাবে। তিনি বলেন, "আমরা ফিরছি। আর এবার ফেরার সময় সাথে করে পর্যাপ্ত পরিমাণ মেমোরি কার্ড আর স্ক্রিনশট নিয়ে আসব। পালানোর জায়গা পাবেন না!"
২. হারপিক মজুমদারের ‘ক্লিন সুইপ’ মিশন
এদিকে হারপিক মজুমদার তার স্বভাবজাত তর্জনী উঁচিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, "এতদিন তো শুধু হারপিক দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার দেখেছেন, এবার আমরা রাজনীতি পরিষ্কার করব।" তার এই 'পরিষ্কার' করার তত্ত্বে নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জেগেছে—তিনি কি দেশের ময়লা পরিষ্কার করবেন নাকি প্রতিপক্ষের অস্তিত্ব? তবে হারপিক ভাই সাফ জানিয়েছেন, তার কাছে এমন এক কেমিক্যাল ফর্মুলা আছে যা দিয়ে সব ‘অগণতান্ত্রিক দাগ’ তুলে ফেলা সম্ভব।
৩. সুলাইমান শুকুনের ‘পজিটিভ ভয়ংকর’ এনার্জি
সবচেয়ে চমকপ্রদ ছিল মোটিভেশনাল স্পিকার সুলাইমান শুকুনের এন্ট্রি। তিনি কোট-টাই ঠিক করতে করতে বললেন, "বন্ধুরা, ভয় পাওয়াটাও একটা আর্ট। আমরা যে ভয়ংকর রূপে ফিরছি, সেটা আসলে এক ধরণের 'পজিটিভ এনার্জি'। আমরা যখন আসব, তখন আপনাদের ইগো হার্ট হবে না, বরং আপনাদের মোটিভেশন লেভেল 10x বেড়ে যাবে।" তিনি আরও যোগ করেন, "লুঙ্গি পরে দৌড়ানো যেমন একটা স্ট্র্যাটেজি, ফিরে আসাটাও একটা আর্ট। জাস্ট বিলিভ ইন ইয়োরসেলফ!"
জনমনে প্রতিক্রিয়া
এই ত্রয়ীর হুঙ্কারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, "চটি পিয়াল যদি ইতিহাস লেখে, হারপিক যদি ধুয়ে দেয় আর শুকুন যদি মোটিভেশন দেয়—তাহলে তো ফেরার রূপটা সত্যিই ‘ভয়ংকর’ হবে (হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরা অর্থে)!"
