যে বাবা নিজেই ধর্ষণ করেছিল নিজের মেয়েকে ২৪ বছর ধরে এক গোপন বন্দীশালায়!

এই লোকের নামে হইলো জোসেফ ফ্রিট্‌জল। পেশায় ছিল অস্ট্রিয়ার আমস্টেটেন শহরের একজন ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার। বাইরে থেকে সে সাদাসিধা নিখাদ ভদ্রলোক মনে হলেও, এই লোক ভয়ংকর লেভেলের একজন সাইকোপ্যাথ।
১৯৮৪ সালে সে নিজের বাড়ির বেসমেন্টে গোপনে একটা সাউন্ডপ্রুফ, তালাবদ্ধ সেল বানায়। এরপর সে তার নিজের মেয়ে এলিজাবেথ ফ্রিট্‌জলকে ১৮ বছর বয়সে বন্দি করে ওই বেসমেন্টে নিয়ে যায়। পুরো দুনিয়ার কাছ থেকে তাকে অদৃশ্য করে ফেলে। 

পরবর্তী ২৪ বছর (১৯৮৪–২০০৮) তাকে কখনোই বাইরে যেতে দেয়নি। এই সময়ে সে নিজের মেয়েকে বারবার ধর্ষণ করে। এলিজাবেথের গর্ভে জন্ম হয় ৭টি সন্তানের। ৩ জন সন্তান বেসমেন্টেই বড় হয়—সূর্যের আলো, বাইরের পৃথিবী কিছুই দেখে না।
৩ জন সন্তানকে ফ্রিট্‌জল উপরে তুলে আনে এবং স্ত্রীকে বলে, এইগুলা এলিজাবে হয়তো জন্ম দিয়ে দরজার সামনে রেখে পালিয়ে গিয়েছে ভরণপোষণ দিতে পারবে না এই ভয়ে। 

১টি সন্তান জন্মের পরপরই মারা যায় (চিকিৎসা না পাওয়ায়)।২০০৮ সালে বেসমেন্টে জন্ম নেওয়া এক মেয়ে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফ্রিট্‌জল বাধ্য হয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে সব সত্য বেরিয়ে আসে।

২০০৯ সালে আদালত তাকে আজীবন কারাদণ্ড দেয়।
তাকে পাঠানো হয় মানসিকভাবে বিপজ্জনক অপরাধীদের জন্য বিশেষ কারাগারে। সে এখনো জেলেই আছে।
Previous Post Next Post

বিস্তারিত পড়ুন