আওয়ামীলীগের কেউ ভোটকেন্দ্রে গেলে আমার মরা মুখ দেখবেন: শেখ হাসিনা

ভিডিও দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক | দিল্লি ডায়েরি 

​গণতন্ত্রের উৎসবে যখন সারা দেশ মাতোয়ারা হওয়ার কথা, তখন সুদূর দিল্লি থেকে ভেসে এলো এক করুণ অথচ হাড়হিম করা বার্তা। আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, "খবরদার! কেউ যদি ভুল করেও ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে যান, তবে ভিডিও কলে আমার মরা মুখ দেখবেন!"

​কেন এই অদ্ভুত হুমকি?

​গোপন সূত্র (যা কেবল চায়ের দোকানে পাওয়া যায়) বলছে, নেত্রী এখন ‘রিভার্স সাইকোলজি’ বা উল্টো মনোবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বুঝতে পেরেছেন, "ভোট দিন" বললে কর্মীরা যা না করবে, "ভোট দেবেন না" বললে তার চেয়ে বেশি আবেগ কাজ করবে। তবে এবারের হুমকিটি একটু বেশিই সিরিয়াস।

​দিল্লির এক নিরাপদ বাংলো থেকে জুম মিটিংয়ে তিনি নাকি বলেছেন, "আমি তো গিয়েছিই, এবার কি তোমরাও আমাকে পুরোপুরি মারতে চাও? ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সিসিটিভিতে ধরা পড়ে আমার মান-সম্মান আর বাকি রেখো না।"

​কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া:

​নেত্রীর এই ‘মরা মুখ’ দেখার হুমকিতে পাড়ায় পাড়ায় আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম বিভ্রান্তি।

  • নিষ্ঠাবান কর্মী: "আগে আপা বলতেন ভোট দিতে, এখন বলছেন মরা মুখ দেখবেন। আমরা আসলে কোন দিকে যাব? না কি চোখ বন্ধ করে ভোট দিয়ে আসব যাতে মুখ দেখতে না হয়?"
  • সুবিধাবাদী নেতা: "নেত্রী ঠিকই বলেছেন। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার চেয়ে ঘরে বসে ফেসবুকে 'মিস ইউ আপা' পোস্ট করা অনেক বেশি নিরাপদ। জান বাঁচলে আরও অনেক নির্বাচন পাওয়া যাবে।"

​নির্বাচন কমিশনের স্বস্তি

​এদিকে নির্বাচন কমিশন এই হুমকিতে বেশ স্বস্তিবোধ করছে। একজন কমিশনার নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, "যাক, অন্তত একটা দল তো নিজ থেকেই ভোট বর্জন করার এমন ইউনিক পদ্ধতি বের করেছে। আমাদের আর কষ্ট করে কাউকে আটকাতে হবে না।"

​সাইবার জগতের তোলপাড়

​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা বলছেন, এটি সম্ভবত বিশ্বের প্রথম ‘ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল’ ভিত্তিক নির্বাচনী কৌশল। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, "নেত্রী হয়তো বোঝাতে চেয়েছেন, ভোটকেন্দ্রে গেলে কর্মীরা যা খাবে (গণধোলাই), তাতে নেত্রীর মুখ দেখার মতো অবস্থা আর কারো থাকবে না।"


Post a Comment

Previous Post Next Post