দেশের বাজারে ইলিশের সরবরাহ নিশ্চিত করার পরই বিদেশে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ ও ঐতিহ্যের অংশ। আগে নিশ্চিত করতে হবে—বাংলাদেশের মানুষ ন্যায্যমূল্যে ইলিশ পাচ্ছে কি না। অভ্যন্তরীণ বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল থাকলে তবেই রপ্তানির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”
বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে পদ্মা ও মেঘনা অববাহিকায় ইলিশ আহরণ বেড়েছে। তবে খুচরা বাজারে দাম এখনও তুলনামূলক বেশি। রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তে সরেজমিনে দেখা গেছে, আকারভেদে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দাম কমছে না। তবে জেলেরা দাবি করছেন, উৎপাদন পর্যায়ে তারা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না।
রপ্তানি প্রসঙ্গ
প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রতিবেশী দেশে সীমিত পরিসরে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রপ্তানি একটি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত। তবে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণে ঘাটতি থাকলে রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে।”
