আর্থিক সংকটে জীবন যখন একদম টালমাটাল, তখনও একটু মন ভালো করতে কক্সবাজারে ছুটে গেলেন সুমন মিয়া।
ভাবছিলেন, অন্তত সমুদ্রের বাতাসে কিছুটা হলেও দুঃখ ভুলবেন।
কিন্তু হোটেলের ভাড়া দেখে প্রথমেই মাথা ঘুরে গেল তার।
বাধ্য হয়ে এমন এক সস্তা রুম নিলেন, যেখানে এসি তো দূরের কথা, সিলিং ফ্যানও ছিল না।
তবে সুমন মিয়ার দাবি, “কক্সবাজারে গিয়ে কখনো সিলিং ফ্যান দেখতে হয় না, আল্লাহর দেওয়া বাতাসই যথেষ্ট!”
সারারাত বারান্দায় বসে সমুদ্রের হাওয়া খেয়ে কাটালেও, মশার কামড়ে ঘুমের আর দেখা মেলেনি।
তবুও সকালে উঠে ফেসবুকে পোস্ট দিলেন— “লাইফ ইজ বিউটিফুল!”
বন্ধুরা ভাবলো বিলাসবহুল ট্রিপ, অথচ বাস্তবে তিনি আধা রাত কাটিয়েছেন তোয়ালে নেড়ে বাতাস করে।
রুমের বালিশ ছিল পাতলা, বিছানা ছিল শক্ত, কিন্তু আত্মসম্মান ছিল একদম শক্তপোক্ত।
কারণ তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন— টাকার অভাব থাকতে পারে, কিন্তু ঘুরার ইচ্ছার কোনো অভাব নেই।
সমুদ্রের ঢেউ দেখে তিনি বলেন, “এটাই আমার ন্যাচারাল কুলার!”
হোটেল ম্যানেজারও অবাক হয়ে বললেন, “এমন পজিটিভ গেস্ট জীবনে দেখি নাই!”
শেষে বাড়ি ফিরে সবার কাছে ঘোষণা দিলেন—
“কক্সবাজারে গেলে সিলিং ফ্যান না, পকেটের অবস্থা দেখলেই ঠান্ডা লাগে!”
