মোটরবাইক দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার মুজাহের।


 

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় অফার দেখিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন মুজাহের।

তিনি দাবি করতেন, বিশেষ শর্ত পূরণ করলেই কম দামে অথবা সম্পূর্ণ ফ্রিতে মোটরবাইক দেওয়া হবে।

এমন লোভনীয় প্রস্তাবে বিশ্বাস করে অনেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন ফি, প্রসেসিং চার্জ ও ডেলিভারি খরচের নামে টাকা নেওয়া হতো।

কেউ কেউ বিকাশ, নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একাধিকবার টাকা পাঠিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও প্রতিশ্রুত মোটরবাইক কেউ পাননি।

বরং পরে যোগাযোগ করতে গেলে নানা অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হতো।

একপর্যায়ে অনেকের ফোন নম্বর ব্লক করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

প্রতারিত কয়েকজন ভুক্তভোগী একত্রিত হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রতারণার বেশ কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এরপর অভিযান চালিয়ে মুজাহেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, লেনদেনের কিছু তথ্য এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ বলছে, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় আরও ভুক্তভোগী সামনে আসতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতারিতদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের পরিমাণও তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাইকে এমন লোভনীয় অফার দেখে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

বিশেষ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া অনলাইনে কোনো ধরনের অগ্রিম টাকা লেনদেন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


Previous Post Next Post

বিস্তারিত পড়ুন