বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী রুমিন ফারহানার বিয়ে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বিতর্কিত দাবিকে কেন্দ্র করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন ফেসবুক পোস্ট ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দাবি করা হয়, বিয়েতে যৌতুক হিসেবে ‘পাঁচটি হুন্ডা মোটরসাইকেল ও দশজন গুণ্ডা’ দেওয়া হয়েছে—যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দেয়।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রুমিন ফারহানার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, বিয়েটি পারিবারিকভাবে অত্যন্ত সাধারণ ও ব্যক্তিগত পরিসরে সম্পন্ন হয়েছে। যৌতুক সংক্রান্ত এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্যগুলোকে ‘কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে রুমিন ফারহানার পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যেই এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “একজন নারীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও রুচিহীন প্রচারণা শুধু অনৈতিকই নয়, এটি সামাজিকভাবেও দুঃখজনক।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ব্যক্তিগত জীবনকে টার্গেট করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে, যা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার প্রয়োজনীয়তাই তুলে ধরে।
এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

0 Comments